1. admin@71bangla24.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ০৭:২১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
সারাদেশে জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নেওয়া হবে।আগ্রহীরা যোগাযোগ করবেন ০১৭৭৮৬২০৬৯০ অথবা ০১৭১২৯৫৪৮৮৩ আপনার প্রতিষ্ঠানকে সারা বিশ্বে পরিচিত করতে বিজ্ঞাপন দিন।বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭৭৮৬২০৬৯০
শিরোনামঃ
আজ ছাত্রনেতা আবু দায়েন কাজল এর ২৬তম মৃত্যু বার্ষিকী ফরিদপুরে প্রয়াত নেতাদের নামে কোরবানি দিয়ে অনন্য নজির স্থাপন করলেন আব্দুর রহমান বোয়ালমারীতে স্বেচ্ছাসেবকলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বোয়ালমারীতে আব্দুর রহমানের পক্ষে উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন বোয়ালমারীতে আব্দুর রহমানের পক্ষে উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন ডা. দিলীপ রায় সালথা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদু-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বর ফরিদপুর-১ আসনের এমপি’র বরাদ্দকৃত প্রকল্পগুলোতে অনিয়মের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের এক মাসের মধ্যেই বিলীন বোয়ালমারীতে ৮৩ বছরের অসহায় বৃদ্ধার পাশে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির পুলিশ বোয়ালমারীতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যের হাত বাড়ি দিলেন আব্দুর রহমান সাঁকো থেকে পড়ে বোয়ালমারী চন্দনা-বারাশিয়া নদীতে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী নিখোঁজ বোয়ালমারীতে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ জনকে জরিমানা বোয়ালমারীতে ভিজিএফের কার্ড সুবিধাভোগীদের বাড়িতে পৌছে দিচ্ছেন কাউন্সিলর সামাদ খান বোয়ালমারীতে র‌্যাবের হাতে আ’লীগ সভাপতির ছেলেসহ ৩ যুবলীগ নেতা মাদকসহ আটক বোয়ালমারীতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পত্রিকার হকার ও অটোচালকদের মধ্যে ইউএনওর ত্রাণ বিতরন বোয়ালমারীতে পৌরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ চায়ের দোকানদারদেরকে নগদ অর্থ প্রদান করোনায় সুরক্ষা সামগ্রী নিয়ে সাধারন মানুষের পাশে বাংলাদেশ আ.লীগ বোয়ালমারীতে ৮ ব্যবসায়ীকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা বোয়ালমারীতে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ১০ জনকে জরিমানা বোয়ালমারীতে টিকা নেওয়ার পরও শিক্ষক সমিতির সভাপতি করোনা আক্রান্ত
add

আজ ছাত্রনেতা আবু দায়েন কাজল এর ২৬তম মৃত্যু বার্ষিকী

  • শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

আবু দায়েন কাজল, একজন মুজিবাদর্শের সফল সংগঠকের নাম।

আবু দায়েন মিয়া কাজল একজন নবীন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের জাতির পিতার নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের পরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতি যোগদান করেন। তিনি বোয়ালমারী থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতি ছিলেন।
১৯৭৮-১৯৮১ সময়কালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে ফরিদপুর জেলার রাজনীতে অভিষেক হয়, তখন সভাপতি ছিলেন শহীদুল ইসলাম নীরু এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন গোলাম মোস্তাফিজুর রহমান রিপন।

১৯৭৯-১৯৮০ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ইয়াছিন কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ছিলেন, তাঁর সাথে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ছিলেন নির্মল কুমার সাহা। তার ছাত্র-সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য ডঃ মতিন চৌধুরী, যার আমলে ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গমনের কর্মসূচি ছিল। ছাত্রদলের গুন্ডারা অভিষেক অনুষ্ঠান ভন্ডুল করার জন্য আক্রমন করে। ডঃ মতিন চৌধুরীর স্ত্রী ডঃ রাজিয়া মতিন চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। শেখ শেখ রাসেল তাঁর প্রিয় ছাত্র ছিলেন।

১৯৮১-১৯৮৩ সময়কালে আবু দায়েন কাজল ফরিদপুর জেলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন, তখন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মোঃ সিদ্দিকুর রহমান।

১৯৭৫ পর্রর্তীতে ফরিদপুরে কে এম ওবায়দুর রহমান বিএনপির রাজনীতিতে যোগদান করার পরে, প্রকাশ্য বঙ্গবন্ধুর নাম নিয়ে রাজনীতি করা কঠিন ছিল। তার সময় কালে ফরিদপুরে বিএনপি ও ছাত্র দল ফরিদপুরসহ সকল উপজেলায় আওয়ামী রাজনীতির বাধা বিগ্ন হামলা মামলা করে। আওয়ামী রাজনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত কঠিন ছিল।

এমন বৈরী অবস্থায় প্রতিটি থানায় ও কলেজে ছাত্রলীগ শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করে। তখনকার ছাত্রলীগের শক্তিতে আওয়ামীলীগ শক্তি পেয়েছে। তখন থেকেই প্রতিটি থানায় ও কলেজে ছাত্রলীগ শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করে।

তিনি নিজে ইয়াছিন কলেজের ভিপি হয়েছেন, রাজেন্দ্র কলেজ, ভাঙ্গা কলেজ, পলিটেকনিক্যাল কলেজ, বোয়ালমারী কলেজসহ বিভিন্ন কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ বিজযী হয়েছে। আওয়ামী রাজনীতি করতে এসে তিনি অনেকবার জিয়ার সামরিক বাহিনী, পুলিশী ও সন্ত্রাসীদের আক্রমনের স্বীকার হন। যা তার শরীরে সুপ্তভাবে অনেক রোগ জন্ম নেয়।

১৯৭৭ সালের সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের গণভোট, ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জিয়ার জয়লাভ আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আতাউল গনি ওসমানীর পরাজয়।, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা আসন থেকে একমাত্র আওয়ামীলীগ প্রার্থী শাহ মোঃ আবু জাফর জয় লাভ করেন। তিনি আওয়ামলীগের ৩৯জন সাংসদের একজন ছিলেন।

রাজনীতির এক কঠিন সময়ে ১৯৮১ সালে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। ১৯৮১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিচারপতি সাত্তারকে বিজয়ী ও আওয়ামলীগ প্রার্থী ডঃ কামাল হোসেনকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়।
এমন উত্তাল রাজনীতির সময়কালে আবু দায়েন কাজল ছিলেন, ফরিদপুরের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন বিএনপির কাছে একটি আতংক।

তিনি ছিলেন সৎ ও নির্ভিক রাজনীতির আদর্শ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও স্নেহের বিশ্বস্থ একজন মুজিবাদর্শের অনণ্য ব্যক্তি ছিলেন। আজকে যারা জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের অনেকেই তার সহ-কর্মী ও স্নেহ ধন্য ছিলেন।

তারপর তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বিদেশে যান। বিদেশে থাকাকালীন সময়ে তার রোগের প্রকাশ ঘটে। ফিরে আসে সহায় সম্বলহীন শক্তি সামর্থহীণ যুবক কাজল।
দেশে ফেরার পর শারিরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।কিডনী সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিমাসে/সপ্তাহে ডায়ালাইসিস করতে হতো।

শাহ মোঃ আবু জাফরের রাজনৈতিক পদস্খখলনের পরে তিনি বোয়ালমারীর আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তার সকল চেষ্টা শরীরের কাছে হেরে যায়।

তিনি ১৯৯৫ সালের ২৩ জুলাই স্ত্রী, একমাত্র কণ্যা, আত্মীয় স্বজন, অসংখ্য রাজনৈতিক গুনগ্রাহী রেখে চিরদিনের মত চলে যান। আমরা ছিলাম তার কর্মী। তার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

add

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট
add
© 71bangla24 2020 All rights reserved. কারিগরি সহায়তা: WhatHppen
Theme Customized By BreakingNews