1. admin@71bangla24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
সারাদেশে জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নেওয়া হবে।আগ্রহীরা যোগাযোগ করবেন ০১৭৭৮৬২০৬৯০ অথবা ০১৭১২৯৫৪৮৮৩ আপনার প্রতিষ্ঠানকে সারা বিশ্বে পরিচিত করতে বিজ্ঞাপন দিন।বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭৭৮৬২০৬৯০
শিরোনামঃ
মুজিব বর্ষ উদযাপন, ডা.দিলীপ রায় হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ভবন উদ্বোধন ও নবীন বরণ বোয়ালমারীতে প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে সরকারি খাল থেকে মাছ শিকার বোয়ালমারীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টায় থানায় মামলা, আটক ১ বোয়ালমারীতে মেয়রকে সংবর্ধনা বোয়ালমারীতে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশির উপরে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বোয়ালমারীতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সভা রেল সেবার মান বাড়াতে বর্তমান সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করছে- জামালপুরে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন কুষ্টিয়া দৌলতপুরে, জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে অনুমতি ছাড়াই ভবন নির্মাণ মাদক ব্যবসায়ী নাঈমের বিরুদ্ধে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী’র মৃত্যুতে প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান এর শোক বোয়ালমারীতে শিক্ষকের মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল জামালপুরে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি অমল মিয়া আটক,১০ দিনের কারাদণ্ড বোয়ালমারীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান এর জন্মদিন পালন শুভ জন্মদিন, দেশরত্নের আস্থাভাজন প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বোয়ালমারীতে শিক্ষকের অস্ত্রের কোপে স্বামী-স্ত্রী গুরুতর আহত আব্দুর রহমানের জন্মদিনে ছাত্রলীগ নেতা প্রান্ত সিদ্দিকের উদ্যোগে বিভিন্ন মসজিদ ও এতিমখানায় দোয়ার আয়োজন বোয়ালমারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির মৃত্যুতে প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান এর শোক কুষ্টিয়া দৌলতপুরে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার! বোয়ালমারীতে ইউনিয়ন পরিষদে চুরি বোয়ালমারীতে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের আনন্দ র‍্যালি।
add

ফরিদপুর শহর আলিয়াবাদ ইউনিয়ন রক্ষা বাঁধে ধ্বস, সাদীপুর লোকালয়ে তীব্র বেগে ঢুকে পড়ছে পদ্মার পানি

  • সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

সুজল খাঁন ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এদিকে রোববার (১৯ জুলাই) ফরিদপুর শহর রক্ষা বাধের সাদিপুর এলাকায় ৬০ মিটার ধ্বসে যাওয়ায় শহরতলীর লোকালয়ে তীব্র বেগে ঢুকে পড়েছে পদ্মার পানি।

সাদিপুর এলাকায় শহর রক্ষা বাধ ধ্বসে যাওয়ায় জেলা সদর থেকে চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলায় যাওয়ার সড়কটি ধ্বসে যাওয়ায় এবং প্লাবিত হওয়ায় সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এসময় পানির তোড়ে বিদ্ধস্ত হয় ৮/১০ টি বসত বাড়ি, উপড়ে পড়ে অসংখ্য গাছ পালা। এর আগে ওই সড়কের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয় সড়কে ভারী যান চলাচল।

এদিকে জেলার চরভদ্রাসন উপজেলায় বন্যা দূর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। দূর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানান, জেলা সদর সহ চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার প্রায় ২০ হাজার পরিবার এখন পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। তাদের জন্য ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে সরকারি খাদ্য সহায়তা বিতরণ। এছাড়া জেলা সদর থেকে চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলায় যাওয়ার প্রধান সড়কটির ৬০ মিটার ধ্বসে গেছে। জরুরীভাবে চলাচলের উপযোগী করতে সড়ক বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলার চরভদ্রাসনে বন্যা দূর্গত মানুষ বসতবাড়ির মালামাল সহ গরু ছাগল নিয়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির ফলে পদ্মা চরের চরঝাউকান্দা ইউনিয়ন, চরহরিরামপুর ও গাজীরটেক ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক রাস্তা প্লাবিত হয়ে বন্যার পানির সাথে একাকার হয়ে রয়েছে। উপজেলা সদরের জনগুরুত্বপূর্ন দু’টি পাকা রাস্তা ও দু’টি ইটের রাস্তা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে জেলা শহরে যাতায়াতের জন্য এমপি ডাঙ্গী গ্রাম থেকে জাকেরের সুরা ব্রীজ পর্যন্ত পাকা রাস্তায় বালুর বস্তা ফেলে পানির প্রবাহ রোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

এছাড়া উপজেলা সদরে বালিয়া ডাঙ্গী ও ফাজেলখার ডাঙ্গী গ্রামের বেড়িবাঁধ সড়ক ধ্বসের ফলে মেরামত কাজ অব্যাহত রয়েছে। শনিবার উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নে বন্যা দুর্গত ৫২০ পরিবারের মাঝে সরকারিভাবে সাড়ে ৫ মে.টন. চাল ও ২৬০ কেজি ডাল বিতরণ করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিয়নের বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে উপজেলা ত্রাণ অফিস জানিয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, চরাঞ্চলের ফসলী মাঠের জমিতে ছোন-বন দিয়ে গড়া বসতঘরের প্রায় সবগুলো পরিবার চাল ছুঁই পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে তারা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ও উচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। এসব পরিবারের গরু ছাগল ও গৃহপালিত পশু চরাঞ্চলের প্লাবিত রাস্তায় পানির মধ্যে রাখা হয়েছে। তাই বন্যাকবলিত চরাঞ্চলে গত ক’দিন ধরে গো-খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে।

উপজেলা চরহরিরামপুর ইউনিয়নের হাজারবিঘা নামক পদ্মা চরের হত দরিদ্র্র কৃষক মান্নান শেখ (৫৫) জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে সর্বস্ব বিলীন হওয়ার পর পদ্মার বালু চরে কাশবন দিয়ে বসতি গড়ে বসবাস করে আসছি। এ বছর আগাম বন্যার ফলে ফসলী মাঠের বাদাম তিল ও ধান ঘরে তুলতে পারি নাই এবং বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়ার ফলে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছি।

সাদারী বিশ্বাসের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রিত এক গৃহিনী রাজেয়া (৪২) জানান, পদ্মার চরে ছোন বনের কুড়ে ঘরে দিনমজুর স্বামীর সংসারে কোনোমতে দিন কাটাচ্ছিলাম। পদ্মার পানি বাড়তির মধ্যে গত এক সপ্তাহ আগে দিনের বেলায় ঘরের উঠান ও দুয়োর পানিতে ভেসে গেলো। একই দিন সন্ধাকালে হঠাৎ থাকার ঘরের মেঝে ভিজে কালো হয়ে গেলো। কিছুক্ষন পরে ঘরের ডওয়া চুইয়ে পানি আসতে শুরু করলো। ওই রাতের মধ্যেই ঘরের মেঝে হাটু পানিতে ভেসে গেলো। রাতে কয়েকবার প্রবল বৃষ্টিতে কাশবনের ছাওয়া ঘরের চাল চুইয়ে পানিতে কাথা বালিশ ভিজতে লাগল। তাই পরের দিন পরিবারের সবকিছু নিয়ে স্কুলে উঠেছি। এখন স্কুল ভবন ছাড়া আশপাশের সব জায়গায় খালি পানি আর পানি।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন সুলতানা জানান, উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। অন্যান্য ইউনিয়নের দূর্গতদের মাঝেও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, বর্তমানে পদ্মার পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে মধুমতির নদীর আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে।

ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কে এম নকিবুল বারী জানান, তীব্র স্রোতে জেলা সদর থেকে চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলায় যাওয়ার প্রধান সড়কটির ৬০ মিটার ধ্বসে গেছে। জরুরীভাবে চলাচলের উপযোগী করতে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এদিকে জেলার সদরপুর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৮ হাজার পরিবার। পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েকশত একর ফসলী জমি। সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ন বন্ধ রয়েছে। নৌকায় চলাচল করছে মানুষ।

সদরপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার পূরবী গোলদার জানান, সরকারিভাবে ২৯ মেট্রিক টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, এ উপজেলার প্রায় ৮ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বেশ কয়েকটি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

নদী ভাঙনের কথা জানিয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলার চেয়ারম্যান একেএম জাহিদ হাসান বলেন, মধুমতি নদীতে এই মুহূর্তে প্রচুর পরিমাণে ভাঙন শুরু হয়েছে। নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ।

তিনি জানান, স্থানীয় এমপির সহায়তায় জরুরিভাবে ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। তবে এই ভাঙন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

add

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট
add
© 71bangla24 2020 All rights reserved. কারিগরি সহায়তা: WhatHppen
Theme Customized By BreakingNews